ঢাকা    সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০

coronavirus
আক্রান্ত সুস্থ মৃত
বিশ্বব্যাপী ৩১২৫৯৭৮০ ২২৮৪৩৬১৮ ৯৬৫৩২৮
বাংলাদেশ ৩৫০৭২১ ২৫৮৭১৭ ৪৯৭৯

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উচ্চ পর্যায়ে রদবদল

প্রকাশিত: ১০:৪৩, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০   আপডেট: ১২:০২, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উচ্চ পর্যায়ে রদবদলে প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহা-পরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) মহাপরিচালকসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদে পরিবর্তন এসেছে, যাতে বেশ কয়েকজন দুই তারকা জেনারেল পেয়েছেন নতুন দায়িত্ব।

ডিজিএফআইয়ের নতুন মহাপরিচালক হয়েছেন মেজর জেনারেল মো. সাইফুল আলম, যিনি বগুড়ায় একাদশ পদাতিক ডিভিশনের নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন। নতুন দায়িত্বে তিনি হবেন মেজর জেনারেল মো. সাইফুল আবেদীনের উত্তরসূরি।

ঢাকা সেনানিবাসের কচুক্ষেতে ডিজিএফআই এর ১৪ তলা ভবনে গত তিন বছর দায়িত্ব পালন শেষে মেজর জেনারেল সাইফুল আবেদীনকে গুরুত্বপূর্ণ নবম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি করে পাঠানো হয়েছে সাভারে।

 

সাভারের জিওসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসা মেজর জেনারেল আকবর হোসেন পেয়েছেন মিরপুরে ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ‌্যান্ড স্টাফ কলেজের (ডিএসসিএসসি) কমান্ড্যান্টের দায়িত্ব। সেখানে তিনি মেজর জেনারেল এনায়েত উল্লাহর স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন।

মেজর জেনারেল এনায়েতকে সেনা সদরদপ্তরে পাঠানো হয়েছে অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেলের দায়িত্ব দিয়ে। আর ওই পদে এতদিন দায়িত্ব পালন করে আসা মেজর জেনারেল হুমায়ুন কবির যশোরে সেনাবাহিনীর ৫৫তম পদাতিক ডিভিশনের জিওসির দায়িত্ব পেয়েছেন।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সোমবার এসব বদলির আদেশ জারি করে বলে সরকারের একটি সূত্র বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানায়।

ডিজিএফআইয়ের নতুন ডিজি মেজর জেনারেল সাইফুল আলম সেনাবাহিনীতে কমিশন পান বাংলাদেশ মিলিটারি অ্যাকাডেমির একাদশ লং কোর্সের ক্যাডেট হিসেবে। বগুড়ায় একাদশ পদাতিক ডিভিশনের দায়িত্ব পাওয়ার আগে তিনি ৭ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও বরিশালের এরিয়া কমান্ডার ছিলেন। 

সাভারের নতুন জিওসি মেজর জেনারেল সাইফুল আবেদীন সেনাবাহিনীতে কমিশন পান বিএমএর পঞ্চদশ লং কোর্সের মাধ্যমে, ১৯৮৬ সালে। এক সময় বাংলাদেশ ইনফ্যানন্ট্রি রেজিমেন্টাল সেন্টারের কমান্ড্যান্টের দায়িত্ব পালন করা এই সেনা কর্মকর্তা আইভরি কোস্টে জাতিসংঘ শান্তি মিশনেও কাজ করেছেন।

ডিফেন্স স্টাফ কলেজের নতুন কমান্ড্যান্ট মেজর জেনারেল আকবর  আর্টিলারি কর্পস (গোলন্দাজ বাহিনী) এর একজন কর্মকর্তা। তিনি সেনাবাহিনীতে কমিশন পান ১৯৮৫ সালে, বিএমএর ত্রয়োদশ লং কোর্সের ক্যাডেট হিসেবে।

তার আগের ব্যাচে বিএমএ লং কোর্স শেষ করা মেজর জেনারেল এনায়েত উল্লাহ ডিএসসিএসসিতে যাওয়ার আগে কুমিল্লায় ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি এবং চা বোর্ডের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন।

আর মেজর জেনারেল হুমায়ুন কবির অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেলের দায়িত্ব পাওয়ার আগে বাংলাদেশ মিলিটারি অ্যাকাডেমির কমান্ড্যান্ট এবং সিলেটে ১৭ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ছিলেন।

ত্রয়োদশ লং কোর্স শেষ করে কমিশন পাওয়া এই সেনা কর্মকর্তা সাইপ্রাসে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনীর ফোর্স কমান্ডার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

Add